আরএসআই: অতি কেনা, অতি বিক্রি ও ডাইভারজেন্স
আরএসআই মাপে চলার গতি, ঠিক-ভুল নয়। “অতি কেনা” বিক্রির সংকেত নয় — এটাকে তাই ভাবা যত অ্যাকাউন্ট নষ্ট করেছে, অন্য কোনো ধারণা তত করেনি।
আরএসআই সাম্প্রতিক লাভের আকার আর সাম্প্রতিক ক্ষতির আকার তুলনা করে, সেটাকে 0 থেকে 100-এর একটা সংখ্যা করে। 70-এর ওপরে বাজার দ্রুত উঠছিল; 30-এর নিচে দ্রুত নামছিল। পুরো বার্তা এটুকুই: গতি, দিক নয়, আর মূল্য তো নয়ই।
প্রায় সবাই যে ভুল করে
“আরএসআই 78-এ, গোল্ড অতি কেনা, আমি শর্ট করব।” জোরালো ট্রেন্ডে আরএসআই কয়েক সপ্তাহ 70-এর ওপরে থাকতে পারে, দাম তখনও উঠতে থাকে — এই রিডিং জোরালো ট্রেন্ডের চেহারা, শেষ হওয়ার সতর্কতা নয়।
ট্রেন্ডে অতি কেনা মানে ঝুঁকি সামলানোর কারণ। একা এটা কখনো দিকের বিপরীতে ট্রেডের কারণ নয়।
ডাইভার্জেন্স — যে অংশটা শেখা দরকার
ডাইভার্জেন্স হলো দাম আর মোমেন্টাম যখন একমত নয়: দাম উঁচু উচ্চতা করে, আরএসআই নিচু উচ্চতা করে। নতুন উচ্চতা আগেরটার চেয়ে কম জোরে হয়েছে, মানে প্রায়ই ক্রেতা ফুরিয়ে আসছে।
এটা মোমেন্টাম নিয়ে সতর্কতা, সময়ের যন্ত্র নয়। কিছু হওয়ার আগে ডাইভার্জেন্স আরও তিনটি উচ্চতা ধরে থাকতে পারে।
নিজেকে না ঠকিয়ে ব্যবহার
- কাঠামোর সাথে ট্রেড করুন — আরএসআই সিগন্যাল তখনই নিন যখন দামের কাঠামো রাজি। ডাইভারজেন্স আর কাঠামো ভাঙা মিললে সেটাপ; শুধু ডাইভারজেন্স একটা নোট।
- ট্রেন্ডে লেভেল বদলান — জোরালো আপট্রেন্ডে 40 প্রায়ই 30-এর বদলে মেঝে হয় — ট্রেন্ড চলাকালীন বাজার কখনো "সস্তা" হয় না।
- একবারে একটা টাইমফ্রেম — দৈনিক আরএসআই আর 15 মিনিটের আরএসআই প্রায়ই উল্টো কথা বলে। যে টাইমফ্রেমে আসলে ট্রেড করেন, সেটাই নিন।