হাতে হাতে: যে নিয়মে গোল্ডের বেচাকেনা জায়েজ
গোল্ড রিবার হাদিসে নাম-করা ছয় পণ্যের একটি। নিয়মটা ছোট, আর গোল্ড নিয়ে আজকের প্রায় সব প্রশ্ন সেখানেই ফিরে যায়।
ইসলামি আইনে গোল্ড সাধারণ পণ্য নয়। এটা সেই ছয় জিনিসের একটি, যেগুলোর নাম নবী صلى الله عليه وسلم বিনিময়ের নিয়ম বলতে গিয়ে বলেছেন, আর সেই নিয়মই বলে এটা কীভাবে বেচাকেনা করা যাবে।
সহীহ মুসলিম 1587 — উবাদা ইবনে সামিত“গোল্ডের বদলে গোল্ড, রুপার বদলে রুপা, গমের বদলে গম, যবের বদলে যব, খেজুরের বদলে খেজুর, লবণের বদলে লবণ — সমান সমান, সমপরিমাণ, হাতে হাতে। এই শ্রেণিগুলো আলাদা হলে, যেমন খুশি বিক্রি করুন, যতক্ষণ হাতে হাতে হয়।”
হাদিস যা চায়
- সমানের বদলে সমান — গোল্ডের বদলে গোল্ড ওজনে সমান হতে হবে, কারুকাজ যাই হোক — ভারী সাদা বারকে হালকা কারুকাজের চেইন দিয়ে সমান করা যায় না।
- ভিন্নের বদলে ভিন্ন — টাকার বদলে গোল্ড যেকোনো দামে হতে পারে, দুই পক্ষ মেনে নিলে।
- সবসময় স্পটে — যেভাবেই হোক, দুই পক্ষকে একই বৈঠকে মিটাতে হবে। এক পাশে দেরি হলেই রিবা আন-নাসিয়াহ।
ব্যবহারিক পরীক্ষা
যেকোনো গোল্ডের ব্যবস্থায় একটি প্রশ্ন করুন: গোল্ড আর পেমেন্ট দুটোই কি এখন হাত বদল হয়? গোল্ড ডেলিভারি হয়ে পেমেন্ট পিছালে, অথবা এখন পেমেন্ট হয়ে আসল বরাদ্দ ছাড়া “পরে” ডেলিভারির কথা হলে, চুক্তিতে সেই ত্রুটি আছে যা হাদিস বন্ধ করেছে।
আজ এটা কোথায় কাটে
- কিস্তিতে গহনা কেনা — গোল্ড বাড়ি চলে যায়, টাকা পরে — নিষ্পত্তি হাতে হাতে হয় না।
- পুরনো গোল্ড বদলে নতুন — গোল্ডের বদলে গোল্ড, তাই ওজন মিলতে হবে, আর কারুকাজের তফাত আলাদা টাকায় মিটবে, বাড়তি গ্রাম দিয়ে নয়।
- লিভারেজের “গোল্ড” চুক্তি — কিছুই ডেলিভারি হয় না; যেটা বেচা হয় সেটা একটা পজিশন, ধাতু নয়।
বিস্তারিত প্রশ্ন কোথায় নেবেন
এই পাঠ শুধু মূল কথা দেয়। নির্দিষ্ট হুকুম — পুরো দলিলের উদ্ধৃতিসহ — আমাদের ফতোয়া লাইব্রেরিতে আছে, আর আপনি নিজের মামলা একজন আলেমের কাছে রাখতে পারেন।
হুকুম, প্রমাণসহ
গোল্ড নিয়ে যাচাই করা ফতোয়া দেখুন, অথবা সরাসরি নিজের প্রশ্ন করুন।
যে গোল্ড ধরে আছেন তার যাকাত
গোল্ড আপনার হয়ে গেলে, নিসাব পেরোনোর পর আর এক চান্দ্র বছর পূর্ণ হলে বছরে 2.5% হারে যাকাত ওয়াজিব হয়। আমাদের ক্যালকুলেটর গহনাসহ পুরো হিসাব করে।