Question
ব্রোকার ফিউচার্স, অপশন আর শর্ট সেলিংয়ের সুযোগ দেয়। এগুলো কি জায়েয? এসব পজিশনে থাকা টাকার যাকাত কী?
Ruling (Fatwa)
সংক্ষিপ্ত উত্তর: দলিলনির্ভর আলেমগণ ও ফিকহ বোর্ডসমূহের সিদ্ধান্ত: (১) শর্ট সেলিং — যা মালিকানায় নেই তা বিক্রি — সরাসরি হাদীসের নিষেধের আওতায়: নাজায়েয। (২) প্রচলিত ফিউচার্স/অপশন — পণ্য-মূল্য উভয় বিলম্বিত, চুক্তি নিজেই কেনাবেচার বস্তু, উদ্দেশ্য কেবল দামের ফারাক — গারার ও জুয়া-সাদৃশ্যে নাজায়েয। (৩) যাকাত: এসব পজিশনে আটকে থাকা মার্জিন/প্রিমিয়ামসহ ব্রোকারেজে আপনার প্রকৃত ইকুইটি-মূল্য যাকাত-দিবসে হিসাবে আসবে — হুকুম লঙ্ঘনের গুনাহ আলাদা, সম্পদের যাকাত আলাদা।
দলিল:
১. রাসূল ﷺ হাকীম ইবনে হিযাম রা.-কে বললেন: 'যা তোমার কাছে নেই তা বিক্রি করো না' — আবু দাউদ ৩৫০৩, তিরমিযী ১২৩২ (আলবানী: সহীহ)।
২. গারার-বিক্রয়ের নিষেধ — সহীহ মুসলিম ১৫১৩।
৩. জুয়ার নিষেধ — সূরা মায়িদা ৫:৯০।
৪. আন্তর্জাতিক ইসলামী ফিকহ একাডেমী (জেদ্দা) ও সমকালীন দলিলনির্ভর আলেমগণ: প্রচলিত ডেরিভেটিভস নাজায়েয।
প্রয়োগ: এসব পজিশন গুটিয়ে স্পট-মালিকানার হালাল বিনিয়োগে ফিরুন। ডেরিভেটিভস থেকে অর্জিত লাভ তাওবাসহ সওয়াবের নিয়ত ছাড়া দান করে মুক্ত হোন — তা যাকাত নয়; মূলধন আপনার থাকবে ও যথারীতি যাকাতযোগ্য।
বিশেষ জটিল ক্ষেত্রে বিজ্ঞ আলেমের শরণাপন্ন হোন।
References
Quran
সূরা মায়িদা ৫:৯০
Hadith
আবু দাউদ ৩৫০৩, তিরমিযী ১২৩২ (আলবানী: সহীহ); সহীহ মুসলিম ১৫১৩
Fiqh
ইসলামী ফিকহ একাডেমী, জেদ্দা; সমকালীন আলেমগণ